Skip to content

ফোন: +৮৮০২-৯৩৪৪২২৫-৬

অপরাজিতা : নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন

বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। স্বাধীনতা-উত্তর কালে নারী উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিশেষ করে প্রজনন স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ ও অবদানের মাত্রা ক্রমসম্প্রসারণশীল। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুঁকি হ্রাস ও সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ খুবই আশাপ্রদ।

এত ইতিবাচক অর্জন সত্তে¡ও এবং জাতীয় পর্যায়ে নারীর রাজনৈতিক উপস্থিতি অনেক দেশের তুলনায় অগ্রগামী হলেও সামগ্রিক বিবেচনায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, বিভিন্ন পর্যায় ও স্তরের রাজনৈতিক কাঠামোতে নারীর অংশগ্রহণ বেশ লক্ষ্যণীয়ভাবে কম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বহিঃপ্রকাশ ঘটে ভোট প্রদানের মাধ্যমে- দীর্ঘ দিন পর পর। সাংবিধানিকভাবে নারী পুরুষ নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল নাগরিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তথা নির্বাচন করার এবং নির্বাচিত হবার অধিকারী। তত্ত¡গত এবং আইনী দৃষ্টিকোণ থেকে এটি সঠিক হলেও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ এখনো আকাংখিত মাত্রার তুলনায় অনেক কম।

উপরোক্ত বাস্তব এবং সামাজিক- সাংস্কৃতিক ও কাঠামোগত কারণে কি স্থানীয় কি অন্যান্য পর্যায়ে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এখনো পিছিয়ে রয়েছে। এ সকল দুর্বলতা কাটিয়ে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন তথা রাজনৈতিক কর্ম প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণের মাত্রা কার্যকারিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে অপরাজিতা: নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন (১ম ও ২য় ফেজ ) কার্যক্রম নির্বাচিত এলাকাসমূহে বাস্তবায়িত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় অপরাজিতা ৩য় ফেজ কর্মসূচী প্রণয়ন করা হয়েছে যার মাধ্যমে হেলভেটাস সুইস ইন্টারকোপারেশন বাংলাদেশ বিভিন্ন পার্টনার সংস্থার সহযোগিতায় নির্বাচিত ১৬ জেলা ও ৬২ উপজেলার এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।

প্রকল্পের লক্ষ্য- উদ্দেশ্য

এই প্রকল্পের সামগ্রিক উদ্দেশ্য হলো নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং সরকারের বিশেষ করে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন কাঠামোতে তাদের অংশগ্রহণের মাত্রা বিস্তৃতকরণ এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা।

অপরাজিতার প্রত্যাশিত ফলাফলসমূহ:

  • নির্বাচিতজেলাগুলিতে সম্ভাব্য ও নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিরা কার্যকরভাবে স্থানীয় সরকারী প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় শাসন ব্যবস্থায় অংশগ্রহন করবে।
  • নির্বচিত জেলাগুলিতে গন্যমান্য ব্যাক্তি, পুরুষ ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানীয় রাজিৈতক জীবনে নারীকে কার্যকর অন্তর্ভুক্ত করতে সহায়তা করবে।
  • নীতিমালা এবং আইনী কাঠামো উন্নত করা ও প্রতিবন্ধকতার দিকে মনোযোগদেওয়ার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে উপদানগুলিকে বাধা দেওয়া ও সক্রিয় করার লক্ষ্যে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখিত প্রত্যাশিত ফলাফলসমূহ অর্জনের লক্ষ্যে যেসব কাজ করা হবে, সেগুলির মধ্যে রয়েছে :

১। বর্তমানে নির্বাচিত (সাধারণ আসন ও সংরক্ষিত) নারী সদস্য এবং তাদের পুরুষ সহকর্মীদের দক্ষতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধি করে স্থানীয় সরকারের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা।

২। স্থানীয় সরকারের পুরুষ সদস্যদের জেন্ডার বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নারী সদস্যদের প্রাপ্ত গুরুত্ব, সম্মান লাভ করে সফলভাবে কাজ করার পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা করা।

৩। স্থানীয় সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ও মন্ত্রণালয়ের সাথে সহযোগিতা, নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধি ও ভবিষ্যতে প্রতিনিধি হওয়ার যোগ্য তেমন নারীদের যোগ্যতা সামর্থ্য বৃদ্ধি করা।

৪। স্থানীয় পর্যায়ে উপস্থিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে অ্যাডভোকেসি করা যাতে নারীরা যথাযথ অংশগ্রহণের সুযোগ পায় এবং তাদের কার্য পরিচালনায় নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা।

৫। নারীরা বিশেষ করে দরিদ্র নারীরা যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে সেজন্যে রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশন, পার্লামেন্টের সদস্য, মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় ইত্যাদির সাথে অ্যাডভোকেসি করা।

৬। নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ পরিসর বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ফোরাম গড়ে তোলা এবং অনান্য স্টকেহোল্ডাররে সাথে জোট ও নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে নারীর অংশগ্রহণের পথে প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের জন্য এ্যাডভোকেসী করা।

অপরাজিতা কারা

‘অপরাজিতা’ শব্দের অর্থ হচ্ছে যে পরাজয় মানে না, পরাভব মানে না। সহজ কথা হচ্ছে এগ্রিয়ে যাবার জন্য যে নিরন্তর সংগ্রাম করে এবং এগিয়ে যায়। যারা দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিতদের অধিকার আদায়ে সহায়তা করে। যারা ক্ষমতা কাঠামোর সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়ার সাথে নিজেদের যুক্ত করার মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের সেবাসমূহকে জেন্ডার সংবেদনশীল ও জনমূখী করার মাধ্যমে তৃনমূল পর্যায়ে দরিদ্র ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর কাছে সেবা ও তথ্য পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে নিজেদের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

মূল কার্যক্রমসমূহ নিম্নরূপ:

১। পূর্ব প্রশিক্ষিত অপরাজিতাদের (নারীনেত্রী) এবং নবাগত অপরাজিতাদের (নারীনেত্রী) সহায়ক, পিয়ার এডুকেশন এবং কোচিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ, রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সাথে কী প্রক্রিয়ায় সংলাপ করবেন সে বিষয়ে নির্বাচিত ও সম্ভাব্য নারী প্রতিনিধিগণের ওরিয়েন্টেশন।

২। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাজিতা ফোরাম/নেটওয়ার্ক এর ত্রৈমাসিক সভা, রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বিভিন্ন পর্যায়ের নারী ফোরাম/নেটওয়ার্কসমূহকে শক্তিশালীকরণ।

৩। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাজিতা ফোরাম/নেটওয়ার্ক এর ত্রৈমাসিক সভা, রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বিভিন্ন পর্যায়ের নারী ফোরাম/নেটওয়ার্কসমূহকে শক্তিশালীকরণ।

৪। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে স্থানীয় এ্যাক্টর, গণ্যমান্য ব্যাক্তি, কমিউনিটি লিডারদের, পরিবারের সদস্যদের সংবেদনশীলকরণ।

৫। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে অপরাজিতাদের মতবিনিময় সভা, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে উপজেলা পর্যায়ে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ, নীতিমালা ও আইনী বিষয়ে অপরাজিতাদের মতবিনিময়।

৬। সরকারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কমিটিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি বিষয়ক মতবিনিময় সভা।

৭। নীতিমালা পর্যালোচনা এবং কৌশল নিরূপণ বিষয়ক বিশ্লেষণ।

৮। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বিষয়ক জাতীয় কর্মশালা, জেলা পর্যায়ে প্রারম্ভিক কর্মশালা।

৯। জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন নারী অধিকার বিষয়ক নেটওয়ার্কের সাথে মিথস্ক্রিয়া/যোগাযোগ ও মতবিনিময়, প্রকল্পের ফলাফল ও শিখণ সম্পর্কে স্থানীয় পর্যায়ে প্রচার ও মতবিনিময় (যেমন: স্থানীয় সরকার সংগঠন, নাগরিক সমাজ ইত্যাদি)।

লক্ষ্যমাত্রা

প্রত্যক্ষ উপকারভোগী: অপরাজিতা প্রকল্প ৬টি বিভাগের মোট ১৬টি জেলায় নির্বাচিত সর্বমোট ৬২টি উপজেলার সবগুলি ইউনিয়নে বাস্তবায়িত হবে। সে অনুযায়ী প্রকল্পটি মোট ৫৪১টি ইউনিয়নে কাজ করবে। এক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য বর্তমান/সম্ভাব্য নারী নেত্রী/প্রতিনিধিদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকল্পটি বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে। এ ধরনের নারীদের মধ্যে গড়ে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫ জনকে নিবিড় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, এবং সে হিসেবে এ ধরনের মোট প্রত্যক্ষ উপকারভোগীর সংখ্যা হবে ৮১১৫ জন নারী। অধিকন্তু, অপরাজিতা প্রকল্প স্থানীয় নারী নেত্রীদের পরিবারের সদস্যবর্গ থেকে শুরু করে এলাকাবাসীদের মধ্যে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন সংশ্লিষ্ট জনসচেতনতা ও জনসমর্থন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করবে। এক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে থেকে গড়ে প্রতিটি ইউনিয়নে কমপক্ষে ৩৬ জন (এবং উপজেলা পর্যায়ে গড়ে ১০জন) নারী-পুরুষকে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আওতায় প্রত্যক্ষভাবে আনা হবে, এবং সে অনুযায়ী ৬২ উপজেলায় মোট ৩২৪৬০ জনের বেশি সাধারণ নাগরিককে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বিষয়ে অধিকতর সচেতন করা হবে।

পরোক্ষ উপকারভোগী:  অধিকতর দক্ষ ও জ্ঞান সম্পন্ন নারীরা যদি স্থানীয় উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে শুরু করে, তাহলে এলাকাবাসীদের সবাই পরোক্ষভাবে সুফল ভোগ করবে। কাজেই নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে যে ৫৪১ টি ইউনিয়নে অপরাজিতা প্রকল্পটি কাজ করবে, সেখানকার সম্মিলিত জনগোষ্ঠীকে পরোক্ষ উপকারভোগী হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে।

সরকারি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সাথে প্রাসঙ্গিকতা

সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিতকৃত নারী-পুরুষের সমানাধিকার তথা ন্যায্য সুযোগসুবিধা লাভের দিকনির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশে এ যাবত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা, কৌশল ও পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে নীতিগত ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক কালের একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ ছিল ২০১১ সালের জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি, যেটির রূপকল্প হলো “এমন একটি সমাজ বিনির্মাণ যেখানে পুরুষ ও নারী সমান সুযোগ লাভ করবে এবং সমতার ভিত্তিতে সকল মৌলিক অধিকার ভোগ করবে”। উল্লেখ্য, নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১-তে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু পন্থার কথা বলা হয়েছে যেগুলি নিম্নরূপ:

৩২.১ রাজনীতিতে অধিকহারে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্যে প্রচার মাধ্যমসহ রাজনৈতিক দলসমূহকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণে উদ্বুধ করা।

৩২.২ নারীর রাজনৈতিক অধিকার অর্জন ও প্রয়োগ এবং এর সুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।

৩২.৩ রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে পর্যায়ক্রমে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

৩২.৪ নির্বাচনে অধিকহারে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে অনুপ্রাণিত করা।

৩২.৫ নারীর রাজনৈতিক অধিকার আদায় ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগে সচেতন করা এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত ভোটার প্রশিক্ষ্ণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।

৩২.৬ রাজনীতিতে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণের তাগিদ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে নারী সংগঠনসহ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে প্রচার অভিযান গ্রহণ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা।

৩২.৭ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ৩৩ শতাংশে উন্নীত করা ও বর্ধিত সংরক্ষিত আসনে প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করা।

৩২.৮ স্থানীয় সরকার পদ্ধতির সকল পর্যায়ে বর্ধিত সংরক্ষিত আসনে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।

৩২.৯ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সর্বোচ্চ পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী নিয়োগ করা।

উপরের পন্থাসমূহ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রায় সবগুলিই অপরাজিতা প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য-কৌশলের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, কাজেই এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে প্রকল্পটি সরাসরি নারী উন্নয়ন নীতির আলোকে প্রণীত হয়েছে।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বিদ্যমান গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুসারে রাজনৈতিক দলসমূহে কেন্দ্রীয় পর্যায় সহ সকল পর্যায়ের কমিটিতে ৩৩% পদ নারীদের জন্য সংরক্ষিত করার লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়েছে, যা শুরুতে ২০২০ নাগাদ অর্জনের তাগিদ দেওয়া হয়েছিল। অনুরূপভাবে বর্তমানে স্থানীয় সরকারসমূহে ও সংসদেও নির্দিষ্ট সংখ্যক নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে। কাজেই সার্বিকভাবে অপরাজিতা প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মপন্থা সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সাথে সরাসরি সঙ্গতিপূর্ণ এবং উক্ত পরিকল্পনার কিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

বার্তা পাঠান

আপনার নাম *
আপনার ইমেইল *
বিষয় *
বার্তা *